
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকাতে নেতা নয়, আমি জনসাধারণের সেবক হয়ে কাজ করে যেতে চাই। আমার নেতা শহীদ জিয়ার আদর্শকে মনে প্রানে সম্মান করে, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা মেনে এবং যিনি শত জুলুম-নির্যাতনে নিজভূমি ছেড়ে কখনো চলে যাননি, যিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, বাংলাদেশের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে আমি বিএনপির সাথে আর পাশে থেকে কাধে কাধ মিলিয়ে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে যেতে চাই।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে সেই ছোটবেলা থেকেই জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সকলের মুখে মুখে রব উঠেছে একটিই নাম সেটি হলো বিএনপির
পরিবারের সন্তান ও তরুণ প্রজন্মের আইকন যুবনেতা মোশফিকুর রহমান মিজু।
তিনি প্রতিবেদককে জানান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমাদের দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে চলতে হবে। কী পেলাম আর কী পেলাম না এ নিয়ে ভাববার সময় এখন নয়।
এখন আমাদের প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে বিএনপির ৩১ দফার কথা এবং আমাদের অহংকার তারেক রহমানের আহ্বানের কথা পৌঁছিয়ে দিতে হবে।
দলের দুর্দিনে যারা রাজপথে ছিলেন, নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,দল নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই তাদের মূল্যায়ন করবে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার রহমানের কর্মকাণ্ডকে মূল্যায়ন করেই আমাদের সামনের দিনগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে।
তবে গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা দীর্ঘ ১৭বছর পর মুক্ত বাতাসে কথা বলার যে স্বাধীনতা পেয়েছি, সেটি পূর্ণতা পাবে,আর যদি কথিত ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করি এবং দলের আদর্শ না মানি তবে আমাদের ভাগ্যে এর চেয়েও খারাপ কিছু লেখা হবে।
তিনি দলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি জলঢাকা উপজেলা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে , সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বিএনপি’র আদর্শকে বুকে লালন করে তবুও তিনি বিএনপি’র রাজনীতির হাল ছাড়েননি। তিনি জীবনটাকে বিএনপির রাজনীতি বুকে আঁকড়ে ধরে আছেন দীর্ঘদিন ধরে।
তার রাজনৈতিক বর্ণাঢ্য জীবনে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি,এজন্যই জলঢাকা উপজেলার সাধারণ জণগণ তাকে এবার উপজেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেন।
তবে মোশফিকুর রহমান মিজু ইতিমধ্যে তরুণ প্রজন্মের কাছে একটি আইকন হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী, ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ কর্তৃক নির্যাতনের শিকার তিনি আরও বলেন আমি ছোট বেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে।
কতিপয় ফ্যাসিবাদ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন আমাকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করেন তবে রাখে আল্লাহ মারে কে আল্লাহ পাক আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন।
আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার রহমানে আদর্শের সৈনিক হিসেবে নেতা হয়ে নয় জনগণের সেবক হিসেবে পাশে থেকে কাজ করতে চাই বলে মোশফিকুর রহমান মিজু প্রতিবেদককে বলেন।
তিনি এটাও বলেন আমি এই উপজেলা যুবদলের সভাপতি না হয়েও জলঢাকাবাসীর জন্য সময়ে অসময়ে সাহায্য-সহযোগিতা জনগণের মাঝে করেছি তা জনগণ কখনই ভুলবেন না আশা করেন ব্যাখ্যা করেন।
আমি সভাপতি হতে পারলে উপজেলা যুবদলকে নতুন করে সাজাবো সেই সাথে একটি দুর্নীতিমুক্ত যুবদল গঠন করবো।
প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয়,সাবেক ছাত্র নেতা ও বর্তমানে ১নং গোলমুন্ডা ইউনিয়ন শাখার জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়ার যুগ্ম আহবায়ক মোঃআশরাফ আলীর কাছে মোঃ মোশফিকুর রহমান মিজুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিজু বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন সংগ্রাম করেছেন, যেকোন পরিস্থিতিতে দলের নির্দেশনা পালন করার লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন রাজপথে,আমার দেখা চোখে তিনি প্রকৃত জিয়া পরিবারের আদর্শের সৈনিক।তারমতো ত্যাগী নেতার সান্নিধ্যে থাকতে পেরে আমরা অত্র উপজেলার সাধারন মানুষ অত্যন্ত গর্বিত।আমার দেখা মতে তার বিগত রাজনৈতিক জীবনে কখনো কারো সাথে তিনি আপোশ করেননি ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাথে বেইমানী করার কোন ইতিহাস নেই।আমরা জলঢাকা উপজেলাবাসী আমাদের কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা নেতাদের কাছে তার মতো ত্যাগী যুব নেতার সঠিক মুল্যায়ন চাই।
