Home » শেরপুরে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জেলা জাসাসের উদ্যোগে কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

শেরপুরে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জেলা জাসাসের উদ্যোগে কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

শেরপুর প্রতিনিধি:

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি এবং মানুষের কল্যাণ কামনায় শেরপুরে কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা—জাসাস শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের তেরাবাজার জামিয়া সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসায় এ কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে পবিত্র কুরআন খতম করা হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত, পরকালীন শান্তি এবং দেশ ও দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনার পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ প্রয়াত নেতাকর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জামিয়া সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার মাওলানা সিদ্দীক আহমাদ।

তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের বিভিন্ন দিক স্মরণ করে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশবাসীর জন্য শান্তি ও কল্যাণের দোয়া করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ কে এম এনামুল হক বিপু, সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিলন মিয়া, রেজাউল করিম, মোঃ সবুজ, সদস্য মো. সুমন মিয়াসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও নেতাকর্মীরা।

এ সময় জেলা জাসাসের নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার কারণে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্রের জন্য তাঁর সংগ্রাম এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ইতিহাস বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আনুষ্ঠানিকতার পরিবর্তে কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *