
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫টি ইটভাটার মালিককে মোট ১৭ লাখ টাকা জরিমানা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ভাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তর, শেরপুর জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং শেরপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শেরপুর শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলার
বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, শেরপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব সরকার। ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন প্রদান করেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, শেরপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক সুশীল কুমার দাস। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি, শেরপুর পুলিশ লাইন্স এবং শেরপুর সদর থানার পুলিশ সদস্যরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় মেসার্স আল আমিন জিগজ্যাগ ব্রিকস-৩ এ ৩,৫০,০০০ টাকা, মোবারকপুরে মেসার্স আর এইচ অটো ব্রিকস-১ এ ৩,৫০,০০০ টাকা, মেসার্স সাওদা ব্রিকসে ৩,৫০,০০০ টাকা, পূর্বঝিনিয়ায় মেসার্স আল আমিন ব্রিকস-২ এ ৩,০০,০০০ টাকা এবং শ্রীবরদীর তেজারকান্দি এলাকায় মেসার্স মা ব্রিকসে অভিযান চালিয়ে ৩,৫০,০০০ টাকা সহ ৫টি ইটভাটাকে মোট ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া তাদের সব কাঁচা ইট ধ্বংস, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ইটভাটার সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর শেরপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক সুশীল কুমার দাস জানান, পরিবেশ দূষণ রোধে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের এমন কঠোর উদ্যোগে শেরপুরে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
