
শেরপুর প্রতিনিধি:
যেখানে গণমানুষের সমস্যার সমাধান আছে সেখানে দাঁড়িপাল্লা আছে, ইনসাফ আছে, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ আছে। শেরপুরের মানুষের সমস্যা সমাধানে বিগত দিনে কেউ উদ্যোগ নিতে পারেনি এবং একি কায়দায় একটি দল কোন মৌলিক পরিকল্পনা এখনো শেরপুরের মানুষের জন্য তুলে ধরতে পারে নাই। বিগত দিনে শেরপুরে কোন উন্নয়ন হয়নি, আমার বিগত দিনের ইতিহাস ফুলস্টপ করে দিয়ে উন্নত শেরপুর গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি একটি চমৎকার পরিকল্পনা নিয়ে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শেরপুর -১ আসনের ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। রবিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার
ভীমগঞ্জ বাজারে ঈদগাহ মাঠে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
তিনি আরো বলেন, ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শুরুতেই এই সমাজে ইনসাফ কায়েম করবে, তারপর জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দুর্নীতিকে লাল কার্ড দেখানো, বাংলাদেশে ঘোষ, দুর্নীতি, দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজির দিন শেষ।
হাফেজ রাশেদুল ইসলাম আরো বলেন, আমরা বিগত দিনের ইতিহাস ভুলে যায়নি, একটি দল ১৫ মাসে কিভাবে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কার্ড নিয়ে সেগুলো বিতরণ করেছে, তারা একই ফ্যামেলিতে পাচঁটা কার্ড বিতরণ করেছে। তারা আবার নাম দিছে ফ্যামেলি কার্ড, আগামীতে কার্ড যা পাবে তা তো তাদের ফ্যামেলিতেই শেষ হয়ে যাবে, মানুষকে কি দিবে।
তিনি আরো বলেন, এই সমাজকে প্রকৃত উন্নয়ন দেওয়ার জন্য জামায়াতে ইসলামী শেরপুর সদর আসনে উদ্যোগ নিয়েছে ৬৮৮ কিলোমিটার কাচা রাস্তা পাকা করা হবে, শেরপুরের পূর্বাঞ্চল ও চরাঞ্চলকে প্রকৃত উন্নয়ন দিবো কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে।
এসময় সবাইকে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে গণভোটে হ্যাঁ এবং উন্নত ও সমৃদ্ধ শেরপুর গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি।
এসময় নির্বাচনী জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো: লিখন মিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আতাউর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সোবাহান, বায়তুল মাল সম্পাদক শফিউল ইসলাম স্বপন, পৌর শহর জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি প্রভাষক জাহিদ আনোয়ার, জামায়াত নেতা এ্যাডভোকেট আশেকুজ্জামান বুলবুল প্রমূখ।

