Home » শ্রীবরদীর সিংগাবরুনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি নেতা বাবুলের গণসংযোগ

শ্রীবরদীর সিংগাবরুনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি নেতা বাবুলের গণসংযোগ

শ্রীবরদী প্রতিনিধি :

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও গ্রামাঞ্চলে শুরু হয়েছে ইউপি নির্বাচনের আগাম ভোটের হাওয়া।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ও মেম্বার পদে প্রার্থীরা পাড়া, মহল্লা, হাট বাজার ও বিভিন্ন স্থানে আগাম গণ সংযোগ ও মত বিনিময় সভা অব্যাহত রেখেছেন।
ভোটের অন্যরকম আমেজ সৃষ্টি হয়েছে ইউনিয়নের গ্রাম তথা হাট বাজারগুলোতে।
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে চলছে প্রচার-প্রচারণা। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবতী
সিংগাবুরুনা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান বাবুল। উত্তর ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেষা সিংগাবরুনা ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা এবার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে
চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে চাচ্ছেন।
বুনো হাতির তান্ডব, সীমান্ত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্বাস্থ্য শিক্ষার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, এ সীমান্ত জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি।
পালাবদলের মাধ্যমে এ ইউনিয়নে জনপ্রতিনিধি
নির্বাচিত হলেও তেমন কোন উন্নয়নের পরিবর্তন হয়নি পাহাড়ি অঞ্চলে। তাই তারা যোগ্য প্রার্থীকে এবার ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন।
বিগত সময়ে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ছিলেন আবু রায়হান বাবুল।
বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে অংশ নিলেও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর কারণে বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকলেও বিজয় নিশ্চিত করতে পারেনি। তবুও মাঠ ছাড়েনি তিনি।
মামলা হামলার ভয় কে উপেক্ষিত করে বিগত সময় গুলো মাঠে ছিলেন সাধারণ মানুষের মাঝে।
তিনি এ ইউনিয়নে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে পাড়া মহল্লায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। গ্রামীণ হাট বাজারে সাধারণ ভোটার ও পাহাড়ি এলাকায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষদের সাথে আগাম নির্বাচনি শুভেচ্ছায় মিলিত হয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন, পাহাড়ি অঞ্চলের চলাচলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, গ্রামীন অবাকাঠামো উন্নয়ন, পাহাড়ি অঞ্চলে মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পূরণ,
সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার
প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি মাঠে রয়েছেন।
সাধারণ ভোটারদের দাবি, বর্তমান চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান কালু নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি অত্র অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুই করেনি। বিগত পাঁচ বছরে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন না হলেও কালুর ভাগ্যে পরিবর্তন হয়েছে।
আদিবাসী অঞ্চলের একমাত্র রাস্তা মেঘাদল হইতে হাড়িয়া কোনা পর্যন্ত কোন কাজ করেননি তিনি। ফলে বর্ষা মৌসুমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সড়কটি।
তাদের মতে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এ পাহাড়ে অঞ্চলের মানুষ তাদের প্রিয় নেতা বাবুলকে আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন।
এ প্রসঙ্গে আবু রায়হান বাবুল বলেন, বিগত সময়ে এ ইউনিয়নের মানুষ আমাকে তাদের পবিত্র আমানত ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন।
তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আমি কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন করতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোট ডাকাতির মাধ্যমে আমার বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়।
হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে আমার কর্মী সমর্থকদের হয়রানি করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে আমি প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছি।
এ অঞ্চলের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারলে আমি অবশ্যই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *