Home » শেরপুর -১ আসনে শেষ মুহুর্তের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা

শেরপুর -১ আসনে শেষ মুহুর্তের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা

শেরপুর প্রতিনিধি:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর সদর ১ আসনে শেষ মুহুর্তের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।

শেরপুর -১ (সদর) আসনের নির্বাচনী এলাকার অলিগলি থেকে শুরু করে চায়ের দোকান, হাট বাজার সব জায়গায় ঘুরে ফিরে আসছে ভোট প্রসঙ্গ। সকাল গড়াতেই প্রার্থীরা ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে। এলাকার উন্নয়ন ও নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তুলে ধরছেন নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নির্বাচনী অঙ্গীকার। মাইকিং স্লোগান ও জনসভায় সরব থাকছে নির্বাচনী এলাকা।

শেরপুর- ১ (শেরপুর সদর) : ১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে এই আসন । মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার  ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন। হিজরা ভোটার ৮ জন। ভোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৪৫ টি ।

শেরপুর-১ আসনে নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো: হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো: মাহমুদুল হক মনি, মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

দীর্ঘ সময় শেরপুর সদর আসনটি দখলে রেখেছিলো আওয়ামী লীগ। বিগত সরকারের আমলে শেরপুর সদর আসনে মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রেললাইন না হওয়ায় এই আসনটি উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে বলে জানান সাধারণ ভোটাররা।

ভোটাররা জানান, গণতন্ত্র বিকাশে এবং দেশের উন্নয়নে ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। তারা আশাবাদী দীর্ঘদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে ও শান্তিপূর্ণভাবে এবার সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। এটি বাস্তবায়িত হলে সরকারের নয় জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদে যাবেন। যিনি সৎ ও যোগ্য প্রার্থী, যার মাধ্যমে শেরপুরে মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রেললাইন সহ বিভিন্ন উন্নয়ন হবে তাকেই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের ভোটের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত করবেন ভোটাররা।

ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শেরপুর সদর ১ আসনে ভোটের মাঠে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সাথে ত্রীমুখী লড়াই হবে।

জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম জানান, ন্যায়-ইসনাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে বর্তমানে একটি গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। নির্বাচিত হলে নতুন শেরপুর গড়ার টার্গেটে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বেকারত্ব দূরীকরণ, মাদকমুক্তকরণ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত একটি নিরাপদ শেরপুর গড়বো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *